Follow us
Search
Close this search box.

শাড়ির খোঁজে ভ্রমণ

শাড়ির খোঁজে ভ্রমণ

শাড়ির খোঁজে বেরিয়ে পড়লে প্রায় ভারত ভ্রমণ হয়ে যাবে। অনলাইনের দৌলতে এখন বাড়িতে বসেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তৈরি পোশাকআশাকের সরবরাহ পাওয়া যায়। তবে বেড়াতে গিয়ে একেবারে উৎস থেকে জিনিসটি হস্তগত করার মজা তো আলাদা হবেই। সঙ্গে রোমাঞ্চ।

পরিধেয় সাধারণ এক বস্ত্রখণ্ড তো নয়। সে যে এক মহাকাব্য। সাধারণ এক বস্ত্রখণ্ড থেকে শিল্পসুষমামণ্ডিত একটি শাড়ি হয়ে ওঠার পেছনে রয়েছে বহু যুগের ইতিহাস। আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে শিল্পের টান। সরঞ্জামের পেছনে কাজ করেছে মনন।

খ্রীষ্টপূর্ব পঞ্চম শতকে ভারতীয় উপমহাদেশে তুলোর চাষ শুরু হয়। সেই সঙ্গে শুরু হয়ে যায় শাড়ির অপ্রতিরোধ্য অভিযান। আঞ্চলিক আবহাওয়া, সংস্কৃতি ভেদে ভারতের নানা প্রান্তে ক্রমশ গড়ে ওঠে শাড়ি তৈরির নানা ঘরানা।

এখানে ভারতের বিভিন্ন আঞ্চলিক ঘরানার কিছু শাড়ি ও শাড়ি সংস্কৃতির কথা জানানো হল-

কেরালার কাসাভু

কেরালার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক এই কাসাভু শাড়ি। কাসাভু শব্দটির অর্থ জরি। কাসাভু শাড়ির পাড়ে থাকে উচ্চাঙ্গের জরির কাজ। ধুতির পাড়েও থাকতে পারে জরির কাজ। এরকম ধুতিকে কাসাভু মুন্ডু বা কাসাভু ধুতি বলা হয়। কয়েক শতক ধরে কাসাভু শাড়ি তার বর্তমান সূক্ষতা অর্জন করেছে। কেরালার তিরুবনন্তপুরম জেলার বলরামপুরম ঐতিহাসিক দিক থেকে হস্তচালিত তাঁতের শাড়ি তৈরির জন্য বিখ্যাত। বহুকাল আগে বর্তমান তামিলনাড়ুর নগরকোলি ও তিরুনেলভেলি অঞ্চল থেকে সালিয়া সম্প্রদায়ের বয়ন শিল্পীরা এই বলরামপুরম অঞ্চলে চলে এসেছিলেন। তারা ত্রাবাঙ্কোর রাজপরিবারের মহিলাদের জন্য জরির মিশেল দিয়ে শাড়ি তৈরি করা শুরু করেন। ক্রমশ তিরুবনন্তপুরম জেলার বিভিন্ন এলাকা কাসাভু শাড়ি বয়নের বিখ্যাত সব কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। কেরালার সর্বত্রই নানা ডিজাইনের কাসাভু শাড়ি কিনতে পাবেন।

কর্নাটকের ইকল

সাধারণত শাড়ির মূল জমি সুতি দিয়ে বোনা হয়। শাড়ির প্রান্ত এবং আঁচলে সিল্ক ব্যবহার করা হয়। ওই সিল্কের আঁচলে থাকে মনোগ্রাহী সব কারুকাজ। পাড় সাধারণত লাল বা মেরুন রঙের হয়ে থাকে। কর্নাটকের বাগালকোট জেলার ইকল অঞ্চলে এই শাড়ি তৈরি হয়ে আসছে অষ্টম শতক থেকে। কর্নাটকের বিখ্যাত দুই পর্যটন কেন্দ্র হাম্পি, বাদামী বেড়াতে গেলে ইকল শাড়ির সম্ভার পেয়ে যাবেন হাতের নাগালে।

চেট্টিনাদ

তামিলনাড়ুর কাঞ্জিভরম শাড়ি সম্পর্কে আমরা ওয়াকিবহাল। দক্ষিণ ভারতের ঐতিহ্যবাহী চেট্টিনাদ শাড়ির কথা কাঞ্জিভরমের মতো মুখে মুখে ফেরে না। একটা সময় পর্যন্ত তামিলনাড়ুর ধনী চেট্টিয়ার সম্প্রদায়ের মহিলাদের মধ্যে বেশি প্রচলন ছিল এই শাড়ির। সময় পাল্টেছে। চেট্টিনাদ শাড়ি এখন সহজলভ্য। তামিলনাড়ুর কড়াইকুড়ি, চেট্টিনাড়ু অঞ্চল চেট্টিনাদ শাড়ি তৈরির কেন্দ্র। মাদুরাই থেকে প্রায় ২ ঘন্টার পথ। চেট্টিনাড শাড়ি গঠনে একটু ভারি। বুননে আপেক্ষাকৃত মোটা সুতি-তন্তু ব্যবহার করা হয়। তবে চেট্টিনাদ শাড়ির প্রধান বৈশিষ্ট তার রঙের কনট্রাস্ট ও চমৎকার সব চেক।

ইকত

হায়দ্রাবাদ শহর থেকে সড়কপথে এক ঘন্টায় পৌছে যাওয়া যায় নলগোণ্ডা জেলায়। এই জেলার বিভিন্ন গ্রামে তৈরি হয় ইকত শাড়ি। ভূদান পচমপল্লী গ্রামটি ইকত শাড়ি তৈরির জন্য বিশেষ খ্যাত। ইকত আসলে তন্তু রং করার বিশেষ পদ্ধতি। বারংবার রং করা হয় শাড়ি বয়নের জন্য নির্দিষ্ট তন্তু। তারপর সেই তন্তু দিয়ে বোনা হয় শাড়ি। ইকত শাড়ি টাই অ্যান্ড ডাই টেকস্টাইল আর্ট-এর একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ। এই শাড়ির বুনোন প্রক্রিয়াটিও জটিল। শাড়ির জমির প্যাটার্নগুলো পরিস্ফূট করার প্রোয়োজনেই এই জটিলতা। তেলেঙ্গনার ইকত সাধারণত সিল্ক শাড়ি।

বাগরু

জয়পুর থেকে আজমেঢ় চলেছেন। পথে পড়বে বাগরু গ্রাম। জয়পুর থেকে ঘন্টাখানেক সময় লাগে। এই বাগরু গ্রামে চিপ্পা সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস। এখানে তৈরি হয় বাগরু শাড়ি। শাড়ি রাঙাতে প্রাকৃতিক রং ব্যবহার করা হয়। পরিবেশবান্ধব প্রক্রিয়ায় তৈরির জন্য বাগরু শাড়ি বিশেষ গুরুত্ব পায়।

লেহেরিয়া

রাজস্থানী এই শাড়ির বিশেষ বৈশিষ্ট্য রঙের ঔজ্জ্বল্য। টাই-ডাই পদ্ধতির আরেকটি ফসল এই লেহেরিয়া শাড়ি। রাজস্থানী ভাষায় লেহেরিয়া মানে ঢেউ। এই শাড়িতে ঢেউয়ের মতো জিগজ্যাগ প্যাটার্ন ফুটিয়ে তোলা হয়। জটিল প্রক্রিয়ায় এই প্যাটার্নের কাজটা করা হয়। দৃশ্যত মনে হয়, জলের লহরী উঠেছে। রাজস্থানে খুবই জনপ্রিয় শাড়ি।

গুজরাটি পাটোলা

আমেদাবাদ থেকে পালামপুর হাইওয়ে ধরে পাটান ১২৫ কিলোমিটার। ঐতিহাসিক পাটানের ঐতিহ্যশালী পাটোলা শাড়ির বিশেষ বৈশিষ্ট নানা জ্যামিতিক প্যাটার্ন। ধাপ-কূপের জ্যামিতিক (স্টেপ ওয়েল) প্যাটার্ন এই শাড়িতে অহরহ লক্ষ্য করা যায়।

পৈথনী শাড়ি

মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদের কাছে পৈথন শহরে তৈরি হয় বলে পৈথনী শাড়ি। সম্পূর্ণতই হস্তচালিত তাঁতে তৈরি করা হয় এই শাড়ি। একসময় চিন থেকে উন্নতমানের রেশম আনা হতো পৈথনী শাড়ি তৈরির জন্য। এখন বাঙ্গালোর সিল্ক ব্যবহার করা হয়। জরি এই শাড়ির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আঁচলে থাকে ঘন নকশার কাজ। প্রকৃতই একটি পৈথনী শাড়ির সোজাদিক আর উল্টোদিকের মধ্যে বিশেষ ফারাক খুঁজে পাওয়া যায় না। পৈথনী শাড়ি নবাব ঔরঙ্গজেবের পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছে। মুঘলদের পরে মাধবরাও পেশোয়াও পৈথনী শাড়ির উন্নতিকল্পে মন দিয়েছিলেন। রঙের বিন্যাস, মোটিফের বিষয় খানিকটা বদলে গিয়েছিল। পেশোয়ারদের সময়ে নাসিকের কাছে ছোট শহর ইয়োলা হয়ে ওঠে পৈথনী ঘরানার শাড়ি তৈরির আরেকটি কেন্দ্র। এখানে তৈরি পৈথনী শাড়ির নাম হয় ইয়োলা পৈথনী।

মাহেশ্বরী

মারাঠা রানি অহল্যাবাই হোলকার তাঁর রাজধানী স্থানান্তরিত করেন মধ্যপ্রদেশে, ইন্দোরের দক্ষিণে, নর্মদা নদীর তীরে মাহেশ্বরে। সে অষ্টাদশ শতকের কথা। মহারানি হোলকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বয়ন শিল্পীদের আহ্বান জানিয়ে নিয়ে আসেন মাহেশ্বরে। শুরু হয় মাহেশ্বরী ঘরানার শাড়ি তৈরি। প্রথম দিকে শুধু সুতির শাড়িই তৈরি হত। পরবর্তিকালে সুতীর সঙ্গে রেশমের ব্যবহার শুরু হয়। আঁচলে নানা জ্যামিতিক প্যাটার্ন, বিশেষ করে নদীর ঘাট, ধাপ-কূপ (স্টেপ ওয়েল) ইত্যাদির জ্যামিতিক নকশার ব্যবহার মাহেশ্বরী শাড়ির বৈশিষ্ট। মধ্যপ্রদেশের প্রায় সব বড় শহরেই মাহেশ্বরী শাড়ি পাওয়া যাবে।

চান্দেরী

মধ্যপ্রদেশে অরণ্য, লেক, পাহাড়ে ঘেরা ছোট শহর চান্দেরী। ললিতপুর থেকে ৩৭ কিলোমিটার, শিবপুরী থেকে ১২৭ কিলোমিটার। সড়কপথে ভোপাল থেকে চান্দেরি ২১৪ কিলোমিটার। চান্দেরির নিকটতম রেলস্টেশন ললিতপুর। অতীতে সুলতান, রাজপুত এবং বুন্দেলা রাজাদের দ্বারা শাসিত চান্দেরীর আনাচেকানাচে ইতিহাস কথা বলে। চান্দেরী ধ্রুপদ সঙ্গীতের কিংবদন্তী শিল্পী বৈজু বাওরার জন্মস্থান। চান্দেরী ঘরানার শাড়ি চান্দেরীর অতীত-বর্তমানের যোগসূত্র। চান্দেরীর ‘বাহার শহর’ এলাকা চান্দেরী শাড়ি তৈরির মূল ঘাঁটি। পিওর সিল্ক, সিল্ক ও সুতীর মিশেল এবং চান্দেরী সুতি দিয়ে তৈরি হয় চান্দেরী শাড়ি। থাকে জরি ও সুতোর কাজের মোটিফ। হালকা ওজনের শাড়ির পাড়ে থাকবে চমৎকার সব কারুকাজ।

বেনারসী

বেনারসী শাড়ির সাজে বিয়ের পিঁড়িতে বাঙালি কনে, এ আমাদের কাছে খুব পরিচিত দৃশ্য। আভিজাত্য বেনারসী শাড়ির গরিমা। উত্তরপ্রদেশের বারাণসী, মির্জাপুর, চন্দৌলী, ভদোহী, জৌনপুর, আজমগড় জেলায় ঐতিহ্যবাহী বেনারসী শাড়ি তৈরি হয় এবং একত্রিতভাবে এই জায়গাগুলি জি আই-এর (জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন) অধিকার পেয়েছে। চতুর্দশ শতকে, মুঘল আমলে, সোনা-রুপোর তন্তু ব্যবহার করে ব্রোকেড তৈরি শুরু হয় বেনারসে। সপ্তদশ শতকে সোনা-রুপোর সঙ্গে জরির সূক্ষ্ম কাজ-সহ সিল্কের শাড়ি তৈরির শক্তপোক্ত ব্যকরণ গড়ে ওঠে। বেনারসী শাড়ির দিগ্বিজয়ের অভিযানও শুরু হয়ে যায়। বেনারসী শাড়িকে মোটমুটিভাবে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা যায়।

(১) জংলা বেনারসীঃ এই বিভাগের শাড়িতে রঙিন সিল্কের জমিতে ফুল, লতাপাতার মোটিফ ব্যবহার করা হয়।

(২) তঞ্চোই বেনারসীঃ সোনা, রুপোর তন্তু ও জরি মোটিফ ফুটিয়ে তোলা হয়। ঝকমকে রঙ হয় এই শাড়ির। সাধারণত বিয়ের কনের জন্য এই শাড়ি তৈরি হয়।

(৩) কাট-ওয়ার্ক বেনারসীঃ এই ধরণের শাড়িতে আলাদা সুতো দিয়ে মোটিফ ফুটিয়ে তোলা হয়।

(৪) টিসু বেনারসী এক্ষেত্রে সোনালী বা রুপোলী জরি দিয়ে বিশেষ বিশেষ মোটিফ ফুটিয়ে তোলা হয় শাড়ির জমিতে। শাড়ির বর্ডারে হীরের আকারের প্যাটার্ন থাকে।

(৫) বুটিদার বেনারসীঃ এই বিভাগের শাড়িতে সোনা, রুপো ও সিল্কের তন্তু দিয়ে প্যাটার্ন বোনা হয়।

সম্বলপুরী

হস্তচালিত তাঁতে তৈরি ওড়িশার বর্ণবহুল সম্বলপুরী শাড়ির গরিমা অনেক দিন ধরেই প্রতিষ্ঠিত। মন্দিরময় ওড়িশা, সমুদ্র তীরবর্তী ওড়িশার জীবনের নানা চিত্র মোটিফ রুপে উঠে আসে এই শাড়িতে। তাই মন্দিরের চূড়া, শঙ্খ, কোনারক-চক্র, মাছ, ফুল, পাখি, নৌকা প্রভৃতি মোটিফ হিসেবে দেখা যায় সম্বলপুরী শাড়িতে। তন্তু রং করার জন্য টাই অ্যান্ড ডাই পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। সম্বলপুরী শাড়ি তৈরির প্রধানতম কেন্দ্র ওড়িশার বড়গড় জেলা। ভুবনেশ্বর থেকে বড়গড় ৩৪০ কিলোমিটার। ভুবনেশ্বর, পুরী, কটকে সম্বলপুরী শাড়ি কিনতে পাবেন।

ওড়িশার উপজাতীয় শাড়ি

কোরাপুটের কাছে দক্ষিণ ওড়িশার কোটপাড একটি আদিবাসী গ্রাম। এখানে আঞ্চলিক পদ্ধতিতে যে শাড়ি তৈরি হয় তাতে যেন প্রকৃতিই প্রতিফলিত হয়। তন্তু রং করার জন্য ব্যবহার করা হয় প্রাকৃতিক রং। শুধু একটি শাড়ি তৈরির জন্য ব্যবহার্য তন্তু রং করার জন্যই গড়ে পাঁচ সপ্তা সময় লেগে যায়। হাবাসপুরী আদিবাসী শাড়ি, সিমিনোই স্টাইল বোমকাই শাড়ির যথেষ্ট খ্যাতি আছে। ওড়িশার ঐতিহ্যমণ্ডিত অনেক বোমকাই শাড়িতেও আদিবাসী ঘরানার ছোঁওয়া পাবেন।

বাংলার বালুচরী

প্রকৃতই একটি বালুচরী শাড়ি অবাক করে দেওয়া একটি সৃষ্টি। উৎকৃষ্ট এক একটি বালুচরী শাড়ি ভিন্ন ভিন্ন গল্প বলে। রামায়ণ, মহাভারতের গল্প, পৌরাণিক গল্প। মুর্শিদাবাদের নবাবদের দরবারের ছোট ছোট চিত্র উঠে আসে মোটিফ হিসেবে। মূল উপাদান বাংলার সিল্ক। মোটিফের জন্য জরি ব্যবহার করা হয়। বাংলার প্রথম নবাব মুর্শিদকুলি খানের পৃষ্ঠপোষকতায় মুর্শিদাবাদের বালুচর গ্রামে বালুচরী শাড়ি তৈরি শুরু হয়। পরবর্তীকালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর হয়ে ওঠে বালুচরী শাড়ি তৈরির প্রধান কেন্দ্র। বর্তমানে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর, সোনামুখী ও পাঁচমুড়ায় বালুচরী শাড়ি তৈরি হয়। উল্লেখ্য, বালুচরী শাড়ির পুনরুজ্জীবনে প্রখ্যাত শিল্পী শুভো ঠাকুর ও বিষ্ণুপুরের বিশিষ্ট বয়নশিল্পী অক্ষয় কুমার দাসের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

মুগা শাড়ি

গুয়াহাটি থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে সুয়ালকুচি অসমের ম্যাঞ্চেস্টার নামে খ্যাত। এই সুয়ালকুচিতে হস্তচালিত তাঁতে তৈরি হয় পিওর মুগা সিল্কের শাড়ি। গাঢ় মেরুন-রঙা তন্তু দিয়ে শাড়ি জুড়ে মোটিফ তৈরি হয়। আঁচলে থাকে ওই মেরুন রঙেরই ঘন কাজ। এই সুয়ালকুচিতেই তৈরি হয় অসমের বিখ্যাত মেখলা। গুয়াহাটির পান বাজার, অন্যত্রও মুগা শাড়ি পেয়ে যাবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *