Follow us
Search
Close this search box.

টিউলিপের কাশ্মীর, হোটেল, হাউসবোট

টিউলিপের কাশ্মীর, হোটেল, হাউসবোট

এখনো পর্যন্ত যা খবর, দেশের অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের দামামা বেজে উঠবে আগামী এপ্রিল-মে মাসে। ফলে ওই সময়ে দূরে বেড়াতে যাওয়ার ইচ্ছা যাঁদের, তাঁদের একটু ভাবতে হচ্ছে বৈ কী। আবার, মার্চ-এপ্রিল মানে বসন্তের ঋতু। না-গরম না-ঠান্ডা আবহাওয়া দেশের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে। সুদূর অতীতে এ দেশের রাজা-রাজড়ারা ফুরফুরে হাওয়ায় শিকারে বেরোতেন এই সময়টায়। বর্তমানে বাঙালি বেড়াতে বেরোয় বসন্তে। শুধু তো বাঙালিই নয়, দেশ জুড়েই এই প্রবণতা।

মার্চ-এপ্রিলে টিউলিপ ফোটে কাশ্মীরে। তীব্র শীত কাটিয়ে উঠে বসন্তের কাশ্মীর উৎসবমুখর। সাম্প্রতিক কালে কাশ্মীরে ভ্রমণার্থীদের রেকর্ড ভিড় হয়েছে এই বসন্তেই। মার্চ-এপ্রিলে শ্রীনগরের হোটেলগুলোতে ঠাঁই নাই পরিস্থিতি হয়। এ বছর? হোটেল বুকিং থেমে নেই। তবে সংশয়ও একটা রয়ে গিয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করছেন বহু ভ্রমণার্থী এবং উপত্যকার হোটেল-হাউসবোট কর্তৃপক্ষ। খোঁজ নিয়ে জানা গেল, অনেকে হোটেল বুক করেছেন, তবে ভ্রমণের সূচি, দিনক্ষণের বদল ঘটতে পারে।

নির্বাচন, রাজনীতি যেমনটাই হোক, বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। মার্চ-এপ্রিলে টিউলিপ ফুটবে কাশ্মীর উপত্যকায় ।

২০২৩-এ দেখা টিউলিপ বাগিচা

বলছেন সুব্রত ঘোষ

“মধ্যাহ্নভোজন সেরে গেলাম জবরওয়ান পর্বতশ্রেণির পাদদেশে টিউলিপের বাগিচায়। এবার (২০২৩) সরকারি ভাবে টিউলিপ গার্ডেন খোলা থাকার কথা ২ থেকে ২০ এপ্রিল। কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট তারিখের কয়েকদিন আগেই দর্শকদের জন্য টিউলিপ গার্ডেন খুলে দিয়েছেন। শ্রীনগর শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে টিউলিপ গার্ডেনের দূরত্ব ৮ কিলোমিটার। কাছেই ডাললেক।

আগে এই বাগিচার নাম ছিল সিরাজ বাগ। ২০০৭-এ ‘ইন্দিরা গান্ধি মেমোরিয়াল টিউলিপ গার্ডেন’ নামে সরকারি ভাবে দর্শকদের জন্য খুলে দেওয়া হয় বাগিচাটি। বসন্তে কাশ্মীরের প্রকৃতি এমনিতেই অপরূপ। ৭৪ একরের টিউলিপ বাগিচা সেই সৌন্দর্যে বৃহৎ শিল্পীর তুলির আরেকটি আশ্চর্য পোঁচ।

নেদারল্যান্ডসের কেউকেনহফকে ইউরোপের বাগান বলা হয়। এখানকার টিউলিপ জগদ্বিখ্যাত। কাশ্মীরের সিরাজ বাগ এশিয়ার বৃহত্তম টিউলিপ বাগিচা।

এখানে, এই জবরওয়ান পর্বতশ্রেণির পাদদেশে চোখের সামনে ফুটে উঠল রূপকথার এক জগৎ। যেন লক্ষ লক্ষ প্রজাপতির রংবাজি চলছে এখানে। টিউলিপের সঙ্গে ডাফোডিল, হায়াসিন্থ, নার্সিসাস, মুসকারিয়া, আইরিস। পশ্চিমে ডাললেক থেকে উড়ে আসা বাতাসে লাল, গোলাপি, হলুদ, বেগুনি রংয়ের আসংখ্য ফুল হেলছিল, দুলছিল, তিরতির করে কাঁপছিল।

সন্ধ্যায় বেরিয়ে এলাম টিউলিপ গার্ডেন থেকে। ডাললেকের পারে বুলেভার্ড রোড জমজমাট। প্রচুর পর্যটক। বাতাসে তুজির (কাবাব) গন্ধ। ডাললেক থেকে দূরের পাহাড়ে স্বপ্নবৎ আলোকিত পরীমহল, ব্যস্ত হাউসবোট, গমগমে হোটেল-রেস্তোরাঁ, শ্রীনগরে এখন বসন্তোৎসব।”

শ্রীনগরের কিছু হোটেল

হোটেল ডিউক, ফোন ৯৬২২১ ২৩৬৬৬।
হোটেল সেন্টার পয়েন্ট, ফোন ০১৯৪ ২৪৮ ৬৫৬৫।
হোটেল গ্র্যান্ড ভ্যালি, ফোন ৯৯০৬৫ ৭১৫০০।
হোটেল দি রেসিডেন্সি, ফোন ১৯৪২৪ ৭৩৭০২।
হোটেল মধুবন, ফোন ০১৯৪ ২৫০ ২৩৯৯।
হোটেল দার-এস সালাম,ফোন ০১৯৪ ২৪৭ ৭৮০৩।
ওয়েলকাম হোটেল, ফোন ০১৯৪ ২৫০ ১৯০১।

হোটেল কমরেড ইন, ফোন ৯৪১৯৪ ৯৪৯৪৯।
হোটেল গ্রান্ড হাবিব, ফোন ৭০০৬২ ২৮৪৬০।
হোটেল মিরাজ, ফোন ৯৯০৬৫ ৯১৩৭১।

হোটেল প্যারাডাইস, ফোন ৯৯০৬৬ ০০৯৯৫।
হোটেল নিউ পার্ক, ফোন ০১৯৪ ২৫০ ০৯৮৮।
হোটেল স্টার্লিং, ফোন ৯২০৫০ ২২৪০০।
হোটেল মালিক, ফোন ৯৯০৬৯ ৬১১৩২।
হোটেল বাটারফ্লাই, ফোন ০১৯৪ ২৪৮ ৩৮৬৫।
হোটেল সিটি প্লাজা, ফোন ৯৯০৬৫ ৮৮৫৭৫।
হোটেল আকবর, ফোন ৯৭৯৭৭ ৯৩৪৮০।
হোটেল ক্লার্কস ইন,ফোন ৯০৭০৩ ৩৩৩৩১।
হোটেল এশিয়ান পার্ক, ফোন ০১৯৪ ২৪৭ ২৮৩২।
হোটেল অপেরা ইন, ফোন ৬০০৫২ ৩৩৯৬৩।

হোটেল দি মন্ট্রিল, ফোন ৭৮৮৯৮ ৮৩৭৬৪।
হোটেল দি হেরিটেজ, ৯৬২২৯ ৫০৯৬৪।
হোটেল ক্রাউন প্লাজা রেসিডেন্সি, ফোন ৭৭৩৬৩ ৪৭০৬৬।
ইমপেক্স হিল রিসর্টস, ফোন ৯৮৫৮৩ ৫৫২৭১।
হোটেল ইয়র্ক, ফোন ০১৯৪ ২৪৬ ০৭১৫।
মান্নত রিসর্ট, ফোন ৯৯০৬৬ ৭৭০৯৭।

হোটেল আলা রেসিডেন্সি, ফোন ৯২০৫০ ২৮০০০।
দি অর্চার্ড রিট্রিট অ্যান্ড স্পা, ফোন ৯৬২২৩ ৩৩৩৩০।
ভিভান্তা ডাল ভিউ, ফোন ০১৯৪ ২৪৬ ১১১১।
হোটেল দি ভিন্টেজ, ফোন ০১৯৪ ২৫০ ০৪৪১।

কিছু হাউসবোট সংস্থা

দি মুঘল শেরাটন হাউসবোট, ফোনঃ ০৯৯০৬৮ ৬৪৯২৪।
নিউ বম্বে হেরিটেজ গ্রুপ অফ হাউসবোটস, ফোনঃ ০৯৭৯৬১ ১১০১৪।
হোয়াইট হাউস গ্রুপ অফ হাউসবোটস, ফোনঃ ০৯৯০৬৮ ৩১৭৬২।
শবনম হেরিটেজ গ্রুপ অফ হাউসবোটস, ফোনঃ ০৯২২২২ ২৬৬৮৩।
কাশ্মীর হাউসবোটস, ফোনঃ ০৯৯০৬০ ০১১২২।
পিকক হাউসবোটস, ফোনঃ ৯৯০৬৪ ৭৮৭৭৩।
শালিমার গ্রুপ অফ হাউসবোটস, ফোনঃ ০৯৯০৬৫ ৮২৭২৬।
দি জুয়েল অফ ক্রাউন হাউসবোটস, ফোনঃ ০৯৯০৬৮ ০০৩৩৬।
আকবর গ্রুপ অফ হেরিটেজ হাউসবোটস, ফোনঃ ০৯০৮৬৬ ৬৪৪৩১।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *