Follow us
English

শীতে করবেটের অরণ্যে

শীতে করবেটের অরণ্যে

অসংখ্য টিলা। বিস্তৃত ঘাসবন। শাল, ওক, পাইনের ঘন জঙ্গল। মধ্যে দিয়ে বয়ে চলেছে রামগঙ্গা নদী। শীতে সেই নদীর তীরে রোদ পোহায় কুমির, ঘড়িয়াল। উড়ে বেড়ায় পাখির ঝাঁক। চকিতে জলে ঘাঁই মারে মহাশের মাছ। গাছের মগডালে বসে থাকে হর্নবিল। চিতল হরিণ, সম্বরের সাবধানী ডাকে জঙ্গলে শিহরণ জাগে। এগুলি এ অরণ্যের কিছু টুকরো ছবি।

 

এ অরণ্যে বাঘ তো থাকবেই।এ যে জিম করবেটের ‘ম্যান ইটার্স অফ কুমায়ুন’এর কাহিনিগুলির প্রেক্ষাপট। ভারতের প্রথম ব্যাঘ্র প্রকল্প চালু হয় এখানেই। বর্তমানে জিম করবেট ন্যাশনাল পার্ক ও টাইগার রিজার্ভ। সর্বোচ্চ সংখ্যক বাঘের (প্যান্থেরা টাইগ্রিস) আবাস। শিবালিক হিমালয়ের তরাই অঞ্চলের বনাঞ্চলের বিস্তৃতি । ৫২১ বর্গকিলোমিটারের বনাঞ্চল ১৯৩৬ সালে এশিয়ার প্রথম জাতীয় উদ্যানের স্বীকৃতি পায়। তখন এই বনাঞ্চলের নাম ছিল ‘হেইলি ন্যাশনাল পার্ক’। ১৯৫৭ সালে অরণ্যের নামকরণ হয় জিম করবেটের নামে। বাঘ সংরক্ষন প্রকল্পের আওতায় আসে ১৯৭১ সালে। বর্তমানে উত্তরাখণ্ডের নৈনিতাল, পউরি এবং আলমোড়া জেলার ১২৮৮.৩১ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে প্রসারিত বিশাল এই বনাঞ্চল। উচ্চতা কোথাও ১২৫০ থেকে ৩৬০০ ফুট।

করবেটের জঙ্গলে বাঘ ছাড়াও রয়েছে, চিতল হরিণ, কাঁকর হরিণ বা বার্কিং ডিয়ার, সম্বর, ছোট আকৃতির হগ ডিয়ার, বুনোকুকুর, বনবিড়াল, লেপার্ড প্রভৃতির মতো প্রাণী। আছে পাঁচশতাধিক প্রজাতির পাখি। নদীতে আছে কুমির, ঘড়িয়াল । পাখি-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘বার্ডলাইফ ইন্টারন্যাশনাল’ করবেট বনাঞ্চলকে ‘ইম্পরট্যান্ট বার্ড এরিয়া’র স্বীকৃতি দিয়েছে।

করবেটের জঙ্গল মোট ৬টি পর্যটন অঞ্চলে বিভক্ত। প্রত্যেক বনাঞ্চলে প্রবেশের জন্য আলাদা আলাদা প্রবেশদ্বার রয়েছে। এইসব জোন বা বনাঞ্চলগুলিতে বেড়াতে পারেন জিপে বা ক্যান্টারে বা হাতির পিঠে চড়ে। ক্যান্টার হলো চারদিক খোলা ছোট বাসের মতো গাড়ি। প্রত্যেকটি জোনের একটি করে এন্ট্রি গেট রয়েছে। সংশ্লিষ্ট বনাঞ্চলে প্রবেশ করতে হবে নির্দিষ্ট প্রবেশপথ দিয়েই।

নীচে জোন-বিষয়ক কিছু তথ্য

বিজরানি জোন 

ঢুকতে হয় আমডান্ডা গেট দিয়ে। রামনগর থেকে দূরত্ব ২ কিলোমিটার। রামনগর জিম করবেট ন্যাশনাল পার্কের নিকটতম শহর। জিপ সাফারির ব্যবস্থা আছে বিজরানির জঙ্গলে।বাঘ আছে এই জঙ্গলে।

থাকার ব্যবস্থা

জঙ্গলের মধ্যে ফরেস্ট রেস্টহাউসে থাকার ব্যবস্থা আছে। রয়েছে তিনটি দ্বিশয্যা, দুটি একশয্যা এবং একটি চার শয্যার ঘর। সব ঘরেই অ্যাটাচড বাথরুম রয়েছে। খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা ক্যান্টিনে। রেস্টহাউসে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। রাতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অন্য ব্যবস্থায় আলোর ব্যবস্থা হয়। তবে গরম জল পাওয়া যায় সবসময়ই।

ধিকালা জোন

প্রবেশপথ ধনগড়ি গেট। রামনগর থেকে দূরত্ব ১৮ কিলোমিটার। ধিকালা ঘাসবনের নামানুসারে জায়গাটির নাম ধিকালা বনাঞ্চল। ধিকালার খ্যাতি তার বিস্তৃত ঘাসজমির জন্য। হাতির পাল, হরিণের দল, লেপার্ড, চিতল হরিণ, বুনো শুয়োর, লাঙ্গুর,বিরল হগ ডিয়ারের আবাস ধিকালার জঙ্গল। রামগঞ্জ নদীতে দেখা যেতে পারে কুমির, ঘড়িয়াল। হরিণ শিকারের জন্য ঘাসবনের মধ্যে দিয়ে চকিতে ছুটে যাওয়া বাঘের দৃশ্যপট শিহরণ জাগায় জঙ্গলে। এই বনাঞ্চলে ক্যান্টার সাফারি ও জিপ সাফারির ব্যবস্থা আছে।

 

থাকার ব্যবস্থা

ধিকালার গভীর বনাঞ্চলে থাকার জন্য রয়েছে বড়সড় একটি কমপ্লেক্স। এই কমপ্লেক্সের একটি অংশে রয়েছে ঊনবিংশ শতকের শেষ দশকে ব্রিটিশদের তৈরি হেরিটেজ রেস্টহাউস। এই রেস্টহাউসটি ছাড়াও কমপ্লেক্সে রয়েছে পর্যটকদের রাত্রিবাসের উপযুক্ত আরও নানা ব্যবস্থা। কমপ্লেক্সের মধ্যেই রয়েছে রেস্তোরাঁ, লাইব্রেরি,বন্যপ্রাণ সংক্রান্ত চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন। কমপ্লেক্স থেকেই পাওয়া যাবে গাইড। জঙ্গলে জিপ সাফারির ব্যবস্থা হবে এই কমপ্লেক্স থেকেই।

ঝির্না জোন

করবেট টাইগার রিজার্ভের দক্ষিণাংশে ঝির্না বনাঞ্চলের অবস্থান। ঝির্না গেট দিয়ে ঝির্নার জঙ্গলে প্রবেশ করতে হয়। রামনগর থেকে ঝির্না গেটের দূরত্ব ১৬ কিলোমিটার।

ঝির্নার ঘাসবন (চাউর) বুনো হাতির অবাধ বিচরণ ক্ষেত্র। প্রচুর স্লথ বিয়ার এবং নীলগাই আছে এই জঙ্গলে। দেখা মেলে বাঘেরও। ঝির্নার ঘাসবনের মধ্যে দিয়ে জিপ সাফারি অবশ্যই একটি রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে ।


থাকার ব্যবস্থা

ঝির্নার জঙ্গলে রাত্রিবাসের জন্য রয়েছে রেস্টহাউস।

দুর্গাদেবী জোন

করবেট টাইগার রিজার্ভের উত্তর-পূর্বাংশে দুর্গাদেবী বনাঞ্চল। প্রবেশপথ দুর্গাদেবী গেট। রামনগর থেকে দূরত্ব ৩৬ কিলোমিটার। পাহাড়ঢালের এই বনাঞ্চলটি পাখি পর্যবেক্ষকদের স্বর্গরাজ্য। হাতির পালের দর্শন মিলতে পারে। দুর্গাদেবী বনাঞ্চলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত রামগ্ঙ্গা ও মন্ডল নদীতে দেখা যাবে মহাশের মাছের ঝাঁক । জিপ সাফারির ব্যবস্থা আছে।


থাকার ব্যবস্থা

রাত্রিবাসের ব্যবস্থা রয়েছে ফরেস্ট রেস্টহাউসে।

ঢেলা জোন

প্রবেশপথ ঢেলা গেট। রামনগর থেকে দূরত্ব ১৩ কিলোমিটার। ঢেলা বনাঞ্চলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, লেপার্ড,হাতি, নীলগাই, ভাল্লুক, হরিণ রয়েছে। পাখিও প্রচুর। ঢেলা বনাঞ্চলে রাত্রিবাসের ব্যবস্থা নেই। দিনে জিপ সাফারি আয়োজিত হয়।

 

পাখরো গেট

সম্প্রতি করবেট টাইগার রিজার্ভের সোনানদী অভয়ারণ্য ও দোমুন্ডা বনাঞ্চলে প্রবেশের জন্য একটি নতুন গেট খোলা হয়েছে। নাম পাখরো গেট। কোটদ্বারের কাছে এই প্রবেশপথটি। দেরাদুন থেকে যাওয়া সুবিধাজনক। গাড়িতে ২ ঘন্টা সময় লাগে। ফরেস্ট রেস্টহাউসে রাত্রিবাসের ব্যবস্থা ।

কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য

প্রতিবছর ধিকলার জঙ্গলে সাফারি শুরু হয় ১৫ই নভেম্বর থেকে। বিজরানি ও দুর্গাদেবী বনাঞ্চলে সাফারি শুরু হয় ১৫ই অক্টোবর থেকে। এই বনাঞ্চলগুলিতে জুনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত সাফারি চালু থাকে। ঝির্না ও ঢেলার জঙ্গলে বেড়াতে যাওয়া যায় সারা বছরই।

বিজরানি ও ধিকালার জঙ্গলে হাতির পিঠে চেপে বেড়ানো যায়। জিপ সাফারিও আয়োজিত হয়। অন্য বনাঞ্চলগুলিতে জিপ বা ক্যান্টার সাফারি আয়োজিত হয়।

প্রত্যেক বনাঞ্চল থেকেই দিনে দিনে সাফারি সেরে রামনগর কিংবা নৈনিতালে ফিরে আসা যায়।

সোনানদী বনাঞ্চলে সাফারির জন্য পারমিট সংগ্রহ করা যেতে পারে কোটদ্বারের রিসেপশন সেন্টার থেকেও। অন্য বনাঞ্চলগুলিতে দিনে দিনে সাফারি সেরে বেরিয়ে আসার জন্য অনলাইন বুকিং করতে হবে এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে :

https://www.corbettonline.uk.gov.in/

ফরেস্ট রেস্টহাউসে থাকার জন্য বুকিং করলে, জঙ্গলসাফারির জন্য আলাদা করে বুকিং করার প্রয়োজন হবে না।

নিজস্ব গাড়ি বা ভাড়াকরা গাড়ি নিয়ে জঙ্গলে প্রবেশ করা যাবে না। কেবলমাত্র করবেট টাইগার রিজার্ভ ম্যানেজমেন্ট কর্তৃক নথিভুক্ত গাড়িই জঙ্গলে ঢুকতে পারে।

জিম করবেট মিউজিয়াম

প্রখ্যাত মানুষখেকো বাঘ শিকারী, বন্যপ্রাণ সংরক্ষক, গ্রন্থকার ও চিত্রগ্রাহক জিম করবেট ১৯৪৭ সালে ভারত ছেড়ে কেনিয়া যাওয়ার আগে পর্যন্ত বোন ম্যাগির সঙ্গে দীর্ঘকাল বসবাস করেছিলেন কালাধুঙ্গির একটি বাংলোতে। এই বাংলোটি ছিল তাঁদের শীতকালীন আবাস। ভারত ছাড়ার আগে জিম করবেট এই বাংলোটি বিক্রি করে দিয়ে যান শ্রীমতি কলাবতী ভার্মাকে। পরবর্তীকালে বাড়িটিকে একটি সংগ্রহশালায় রূপান্তরিত করা হয়। এই সংগ্রহশালায় জিম করবেট কর্তৃক ব্যবহৃত নানা জিনিস যত্নের সঙ্গে সরক্ষিত হচ্ছে। জিম করবেটের জীবন,কর্মকান্ড সম্পর্কে আগ্রহীদের কাছে অবশ্য দ্রষ্টব্য এই সংগ্রহশালাটি।

সংগ্রহশালার বাইরে স্যুভেনির শপ থেকে উত্তরাখন্ড ও জিম করবেট বিষয়ক ও জিম করবেট লিখিত বইপত্র,স্মারক মগ, টি-শার্ট এবং আঞ্চলিক মানুষজনের হাতে তৈরি নানারকমের জৈব মশলা, আচার, মধু ইত্যাদি কিনতে পাওয়া যায়।

করবেটের জঙ্গলে সাফারির সঙ্গে সঙ্গে এই সংগ্রহশালা দর্শনও সেরে ফেলা যায়। রামনগর থেকে নৈনিতাল রোড ধরে সংগ্রহশালার দূরত্ব ৩০ কিলোমিটার। যাঁরা নৈনিতাল থেকে করবেট সাফারিতে আসবেন তাঁরা রামনগর আসার পথে বা রামনগর থেকে নৈনিতাল ফেরার পথে এই সংগ্রহশালাটি দেখে নিতে পারেন। নৈনিতাল থেকে সংগ্রহশালার দূরত্ব ৩৪ কিলোমিটার।

 

প্যাকেজ টুরে করবেটের জঙ্গল

নৈনিতাল সফরের সঙ্গে করবেটের জঙ্গল সাফারিকে জুড়ে নেওয়া যায়। সেক্ষেত্রে নৈনিতাল থেকে প্যাকেজ ট্যুরে জঙ্গল সাফারি সেরে নৈনিতাল ফিরে আসা যায় দিনে দিনেই। একই যাত্রায় দেখে নেওয়া যায় করবেট মিউজিয়াম,গর্জিয়া দেবীর মন্দির ও করবেট ফলস।

রামনগর করবেট জঙ্গলের মূল প্রবেশদ্বার। নৈনিতাল থেকে রামনগরের দূরত্ব প্রায় ৬৫ কিলোমিটার। ডে প্যাকেজ টুরে নিয়ে যাওয়ার জন্য নৈনিতালে অনেক ট্র্যাভেল এজেন্সি রয়েছে। অনলাইনে সকালের সাফারি বুক করা থাকলে নৈনিতাল থেকে গাড়িভাড়া করে জঙ্গলের নির্দিষ্ট গেটে সময়মতো পৌঁছে যাওয়া যাবে।
একটা রাত করবেটের জঙ্গলের মধ্যে কোনও রেস্টহাউসে কাটানো গেলে সেই বনবাস চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

জঙ্গলে বনবিশ্রামাগারে রাত কাটাতে অসুবিধা হবে মনে করলে, ঠিক জঙ্গলের বাইরে রামনগরে কোনও হোটেলেও থাকা যায়। তাতে রয়েসয়ে জঙ্গল সাফারির সুযোগ মেলে।

যাওয়ার পথ

যাঁরা নৈনিতাল ভ্রমণের সঙ্গে করবেটের জঙ্গল সফরকে যুক্ত করতে চান তাঁরা নৈনিতাল থেকে গাড়িভাড়া করে ৬৫ কিলোমিটার দূরের রামনগরে পৌঁছে যেতে পারেন। সরাসরি রামনগর তথা করবেটে পৌঁছতে চাইলে হাওড়া থেকে বাঘ এক্সপ্রেসে (১৩০১৯) হোলদোয়ানী স্টেশনে নেমে সেখান থেকে বাসে বা প্রাইভেট গাড়িতে রামনগর পৌঁছাতে পারেন। হোলদোয়ানী থেকে রামনগরের দূরত্ব ৫৬ কিলোমিটার। রামনগর থেকে মোরাদাবাদ স্টেশনের দূরত্ব ৭২ কিলোমিটার। হাওড়া থেকে অমৃতসর এক্সপ্রেস (১৩০৪৯), দুন এক্সপ্রেস (১৩০০৯),উপাসনা এক্সপ্রেস (১২৩২৭), কুম্ভ এক্সপ্রেস (১২৩৬৯) প্রভৃতি ট্রেন হাওড়া থেকে মোরাদাবাদ যায়। মোরাদাবাদ থেকে বাসে বা প্রাইভেট গাড়িতে রামনগর যাওয়া যাবে।

থাকার ব্যবস্থা

জঙ্গলের মধ্যে থাকতে হলে থাকতে হবে কোনও একটি বনাঞ্চলের রেস্টহাউসেই। কোন কোন বনাঞ্চলে রেস্টহাউস আছে সে বিষয়ে উপরে জানানো হয়েছে। রেস্টহাউস বুকিং করতে হবে এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে : : https://www.corbettonline.uk.gov.in/  ওয়েবসাইটের ‘রেজিস্টার অ্যান্ড বুক’ উইন্ডোর মাধ্যমে প্রথমে রেজিস্টার করতে হবে। সমস্যা হলে ফোন করবেন এই নম্বরে : ৯৭৫৯৩৬৩৩৪৪।

এন্ট্রি ফি-সহ ফরেস্ট রেস্টহাউসে থাকার খরচ ইত্যাদি সম্পর্কে বিশদ তথ্য পাবেন ওয়েবসাইটের ‘নাইট স্টে অ্যাট করবেট’ উইন্ডোরর অন্তর্গত ‘ট্যারিফ’ বিভাগে।

ক্যান্টিন

ধিকালা বনাঞ্চলের অন্তর্গত ধিকালা ফরেস্ট রেস্টহাউস এবং গৈরাল ফরেস্ট রেস্টহাউসে কে এম ভি এন পরিচালিত ক্যান্টিন আছে। অন্যসব রেস্টহাউসে কিচেনের বন্দোবস্ত আছে। রান্না করে নিতে হবে। সেক্ষেত্রে বাইরে থেকে রেশন সংগ্রহ করে জঙ্গলে প্রবেশ করতে হবে। রান্নার কাজে রুম অ্যাটেনড্যান্টের সহায়তা পাওয়া যাবে।

বেসরকারি ব্যবস্থা

থাকার জন্য জঙ্গলের সীমানার বাইরে রয়েছে বেশ কিছু হোটেল। এরকম কোনও হোটেল বা রিসর্টে থেকেও জঙ্গল সাফারিতে অংশগ্রহণ করা যায়। চাইলে হোটেল বা রিসর্ট থেকেও সাফারি বুকিং করে দেওয়া হয়।

কয়েকটি হোটেল
কে এম ভি এন টুরিস্ট রেস্টহাউস (রামনগর): (০৫৯৪৭) ২৫১২২৫।
করবেট হোটেল : ৯৭১৯০৯৫৭৬৯।
টাইগার কিংডম: ৭৩১৭০৭৬৬৬৬, ৭৩১৭০৬৮৮৮৮।
করবেট ভিউ রিসর্ট: ৭৬১৭৫৩০০০৭, ৯৮৩৭০৮০৪২৭।
মাচান রিসর্ট: ৯২৬৮৭৩৮৭৪৮, ৯৮৭১৫৬৬০২০।
করবেট সুমন গ্র্যান্ড : ৯৯৯৭২৫৫৯৩৩, ৯৮১৮৩০৩৫৩৭।
করবেট রিভারসাইড রিসর্ট : ৭৪৫৫০০৩৩৩১, ৭৪৫৫০০৩৩৩২।
লে রোই করবেট রিসর্ট : (০৫৯৪)৭২৮৪৩৪৩, ৯৩৫০৯১২৩৪৫।
লা টাইগ্রে রিসর্ট : ৯৭১১৮২৪৩৯০, ৮৮২৬৪২৫৫৫৪।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *